Logo
প্রিন্ট এর তারিখঃ ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ AM || প্রকাশের তারিখঃ ৭ জুন, ২০২৬, ১২:০২ AM

ওএমএস চাল আটা পেয়ে খুশি দরিদ্র পরিবার,তবে কিছু পয়েন্টের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

News Image

মহিদুল ইসলাম (শাহীন) খুলনা, 

খুলনা জেলা খাদ্য দপ্তরের  সঠিক তদারকির জন্য এবং মনিটরিং কর্মকর্তা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্তক কার্যালয়ের সহকারী রসায়নিকবীদ শেখ মনিরুল হাসান একক"চৌকস" অভিযানে বিগত দিনের থেকে স্বচ্ছ এবং সুষ্ঠু ভাবে ওএমএস বিক্রি হচ্ছে বলে সচেতন মহলের মন্তব্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ডিলার জানান,যেদিকে তাকাই সেদিকেই মনিটরিং স্যারকে দেখতে পাই। তাছাড়া পয়েন্ট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তদারকি কর্মকর্তা সবকিছু দেখবাল করেন। প্রতিদিন ৯ টায় ভিডিও কলে চাল ও আটার মজুদ দেখি। তাছাড়া গ্রুপে প্রতিদিন স্টিল ছবি ও ভিডিও ক্লিপস পাঠাতে হয়। এটা পরীক্ষা করে মজুদ নিশ্চিত করে চাল আটা বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়। 
অন্য দিকে ডিসি ফুডের চোখ এড়ানোও বেশ কঠিন । সব মিলিয়ে ডিলাররা বলেন,খুলনা ওএমএস কার্যক্রম অনেক স্বচ্ছ ভাবে চলছে। জানাগেছে,প্রতিদিন  প্রতি ওয়ার্ডে ২ শ জন পুরুষ মহিলা ৫ কেজি আটা এবং ৫ কেজি চাল ক্রয় করতে পারবে। বিভিন্ন ডিলার পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায় ভোর থেকে পয়েন্টে এসে ভিড় জমাতে শুরু করে নারী পুরুষ। তাদের চোখে মুখে আনন্দের হাঁসি। কমদামে চাল আটা পেয়ে বেজায় খুশি তারা। চাউলের ভাত কেমন এমন প্রশ্ন করতেই তারা বলেন,খুলনা সিএসডি গোডাউন থেকে আসা বর্তমান চাউলের মান অন্য সময়ের থেকে অনেক ভালো। 
তাছাড়া ঐ চাউল খুলনা সিএসডি  ব্যবস্হাপক এম এম ইকবাল হোসেনের নির্দেশে প্রতি বস্তা চাল হুকমেরে চেক করে দেয়,তারা বলেন অন্য সময়ের থেকে ভালো চাউল সরবরাহ হচ্ছে। ডিলার পয়েন্টে কোন সমস্যা আছে কিনা,এমন প্রশ্নের জবাবে ভুক্তভোগীরা জানান,প্রতিদিন মনিটরিং কর্মকর্তা এসে খোঁজ খবর নিয়ে থাকেন। তাছাড়া তদারকি অফিসাররা তো শুরু  থেকে শেষ পর্যন্ত পয়েন্টে বসে থাকে।
এজন্য আমরা সহজেই চাল আটা কিনতে পারি। তারা খাদ্য দপ্তরকে ধন্যবাদ জানান, বিতরণের আগের দিন পয়েন্টে পয়েন্টে চাল আটা রাখার ব্যবস্হা করার জন্য। 
সুফল ভোগী মনিরা বেগম, বৈশাখী রায় ও জমির উদ্দিন বলেন, আমাদের ডিলারা অনেক ভালো মনের মানুষ। তারা সৎ ও আদর্শবান লোক। তারা হেঁসে হেঁসে আমাদের সঙ্গে কথা বলেন। কোন বৃদ্ধ মানুষ চাল আটা কিনতে আসলে তারা নিজেই চাল আটাসহ তার ব্যাগটা নিয়ে বাসায় পৌঁছানোর ব্যবস্হা করেন। অন্য দিকে গত সপ্তাহে যে সকল ডিলার পয়েন্টে গিয়ে নারী পুরুষের উপচে পড়া ভিড় ও লাইনে দাঁড়িয়ে চাল আটা ক্রয় করে হাঁসি খুশি ভাবে দেখা গেছে, সে সব ডিলার হচ্ছে, 
মোঃ শহিদুল ইসলাম,মোঃ সেলিম আহম্মেদ, মোঃ হাসান,আরমান শিকদার সেন্টু,শেখ রওশন মুস্তাফিজ। মোঃ গোলাম সামদানী,খবির হোসেন,আবুল কালাম আজাদ (অবঃ),মনোয়ারা বেগম (সাবু),৮ নং ওয়ার্ডে সেলিম রেজা ( ফয়সাল), মোঃ স্বপন,আঃ ছালাম ঢালী (মিন্টু),বিদ‍্যুৎ রায়, খলিদ হোসেন রাজন,২৩ নং ওয়ার্ডে মোঃ গোলাম মোর্শেদ, মঞ্জুয়ারা লাভলী,মাহবুবুর রহমান লিটু (জামিলা), মোঃ রমজান আলী, 
মহানগরীর সবগুলো ডিলার পয়েন্ট পরিদর্শন করে ৩/৪ টা পয়েন্ট বাদে সব পয়েন্টে মাল বিক্রি সন্তোষজনক। হাতে গোনা কয়েকটি পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায় ডিলার উপস্থিতি নাই,তদারকি কর্মকর্তা চায়ের দোকানে বা পয়েন্ট থেকে বেশ দুরে নির্জনে বসে আরাম করছে বা মোবাইল চাপাচাপি করছে। প্রশ্ন করতেই তারা বলেন,এই মাত্র এলাম। অন্য দিকে চাল আটা কিনে চলে যাওয়া নারী পুরুষের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন,৩ কেজি চাল,৪ কেজি আটা দিচ্ছে। আবার কখনও কখনও ৪/৪ কেজি মাল দেওয়া হচ্ছে। 
পয়েন্ট চলছে কর্মচারী দিয়ে আবার অনেক সময় ডিও জমাও হচ্ছে কর্মচারী দিয়ে। নিয়ম রয়েছে ডিলার সব সময় উপস্থিত থাকবে কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। 
( বিস্তারিত আগামী পর্বে দেখতে চোঁখ রাখুন)।